সোমবার , ১১ সেপ্টেম্বর ২0১৭
  • হোম » উত্তরবঙ্গ » পুজোতে চাই মোবাইল-কিংবা বাইক, সোনার অলঙ্কার- টনেজেরা দাবি মেটাতে ব্লু হোয়েলের ভয় দেখাচ্ছে অভিভাবকদের




পুজোতে চাই মোবাইল-কিংবা বাইক, সোনার অলঙ্কার- টনেজেরা দাবি মেটাতে ব্লু হোয়েলের ভয় দেখাচ্ছে অভিভাবকদের

কলকাতা নিউজ ২৪ : 11/09/2017

images(5)

 

 

 

 

 

 

 

নিজস্বপ্রতিনিধি, কোচবিহার। কারো চাই ৩০ হাজারের মোবাইল ফোন, কারো বা বাইক, কেউ বা আবার দাবি করছে হিড়ের নেকলেস… অবাক কান্ড এই দাবি অবশ্য পুজোর জন্যেই আর দাবিদার টনেজ কিশোর কিশোরী।শুধি ই দাবি? না তা মেটানোর জন্য রীতিমত চাপ দেওয়া হছে অভিভাবক দের… এমনটাই অভিযোগ নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হল কোচবিহারের বেশ কিছু অভিভাবক। তাদের কথায় ছেলে মেয়ে দের ভাবি না মেটালে তারা নাকি ব্লু হোয়েল খেলা শুরু করবে…… ঘটনায় রীতিমত চিন্তার ভাজ পরতে শুরু করেছ বাবা-মায়ে দের কপালে। কি ভাবছে জেলার মনিবিদ কাউনসিলার রা…

কোচবিহারের অন্যতম কিশোরী মনবিদ তথা কাঊন্সিলার ডঃ সৃপর্না ব্রহ্ম বলছেন- এই বিষয়ে প্রশাসনের কিছু করার নেই… বাবা ও মায়েদের কাজ এটা। সম্প্রতি নিউক্লিয়ার পরিবার হওয়াতে বাবা মায়ে দের সাথে বাচ্চা দের অভ্যন্তরীণ সম্পর্খ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। একসাথে বসে টিভি দেখা বা ডিনার করলেই বাবা মা বাচ্চা দের বন্ধু হয়ে যায় না। আধুনিকতার যুগে এমন অনেক বিষয় সামনে আসছে যেখানে বাচ্চা দের মোনে তৈরী হওয়া প্রশ্নের কোনো উত্তর তারা পাচ্ছে না। সেই কারনেই সেই প্রশ্নের প্রতি তাদের কৌতূহল বাড়ছে। তেমন ই একটি বিষয় হল এই ব্লু হোয়েল গেম। বেশ কিছু কিশোর কিশোরী বুঝে গেছে এটা মারাত্মক আর অভিভাবকেরা এটা নিয়ে চিন্তিত ও বটে তাই এটা হাতিয়ার করছে নিজেদের কাজ হাসিলের জন্য।এটা আরো বেশি চিন্তার কারন… এভাবে চলতে থাকলে ব্যকমেল টাই অভ্যাস হয়ে যেতে পারে।

অভিভাবক দের তরফে উৎপল রায়, চিরজ্ঞিত ভট্টাচার্জী বলেন তাদের সন্তান দের বয়স গড়ে ১৩থেকে ১৫ এর মধ্যে তারা এই গেমের ভয় দেখাচ্ছে এবং একাধিক দামি জিনিসের জন্য বাড়িতে চাপ প্রয়োগ করছে।তার ছেলে জেঙ্কিন্স স্কুলে ৯বম শ্রেনীতে পড়ে।তারা পুলিশ তথা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে এই পরিস্থিতি থেকে জেলার বাচ্চা দের বাঁচানোর আর্জী নিয়ে। কোচবিহারের বিশিষ্ট সাংবাদিক গৌড় হড়ি দাস মোনে করছেন-বাচ্চা দের এভাবে প্রশ্রয় দেওয়া কোনো ভাবেই অভিভাবক দের ঠিক  নয়, এতে বাচ্চা দের ই ক্ষতি হবে অদুর ভবিষ্যতে। বরং এই বিষয়ে বাচ্চা দের আলোচনা করাটা তাদের বোঝানোর বিষয়ে বাবা ও মায়ের সচেতন হওয়া উচিত।



Executive Editor: Akash Biswas
Associate Editor : Advocate Anshuman Sengupta
Address : kolkata
E-mail: [email protected]
© Copyright 2015 FILM & CRCC Computer center All rights reserved.